• রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৫:৩০ পূর্বাহ্ন

চরভদ্রসন বৈদ্যডাংগী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা মিনা ফারসায়াদ নতুন উপন্যাস “খুন”মোড়ক উন্মোচন  

পোস্ট করেছেন: / ২১৩ বার পড়া হয়েছে:
পোস্ট করা হয়েছে: মঙ্গলবার, ২৩ মার্চ, ২০২১

চরভদ্রসন বৈদ্যডাংগী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা মিনা ফারসায়াদ নতুন উপন্যাস “খুন”মোড়ক উন্মোচন

সাজ্জাদ হোসেন সাজু ,চরভদ্রাসন প্রতিনিধি : চরভদ্রাসন গাজীরটেক ইউনিয়নের বৈদ্যডাংগী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা মিনা ফারসায়াদ  নতুন উপন্যাস “খুন” ফরিদপুর অমর একুশে গ্রন্থমেলায় মোড়ক উন্মোচন  করছেন ফরিদপুর জেলা প্রশাসক জনাব অতুল সরকার। লেখিকা মিনা ফারসায়াদ বলেন
যারা বই পড়তে ভালোবাসেন তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, আপনারা ফরিদপুর অমর একুশে গ্রন্থমেলা থেকে সংগ্রহ করতে পারেন ,, লেখিকা মিনা ফারসায়াদ কথা বলে জানা যায়, তার বই লেখার আগ্রহ কিভাবে তৈরি হলো সে বলে #কিছু_কথা_একান্তই:
খুন উপন্যাসটি ছাপা হওয়ার পর থেকে প্রতিকূলতার শেষ নেই। বাবার বাড়ির দিক দিয়ে নিকটাত্মীয়ের বিশাল এক গোষ্ঠীমহল আমার। কিন্তু দুঃখজনক ব্যাপার, শ্বশুরবাড়ি বা বাবারবাড়ি কারো কাছ থেকে লেখালেখি নিয়ে এতটুকু সহযোগিতা পাইনি এখন পর্যন্ত। বরং লেখালেখি নিয়ে সবার তোপের মুখে পড়েছি বা পড়ছি। কড়া নিষেধাজ্ঞা লেখালেখি বন্ধের। যাহোক আমার স্ট্রেট শক্ত অবস্থানে সবাই লেখালেখি আর বইমেলাকে মেনে নিতে বাধ্য হলেও একমাত্র ছোট ভাইটি ছাড়া আর কেউ বিন্দুমাত্র সাথে নেই।
যাক সেকথা, এবার আসি অন্যকথায়। খুন আমার প্রথম উপন্যাস এবং আমি খুবই নবীন এই লেখার জগতে। যেহেতু আমার কোন পাঠকমহল তৈরি হয়নি তাই আমার নিজের সৃষ্টি বইটিকে ঘিরে আমি যেভাবেই পারছি প্রচার করছি। কিন্তু কিছু লোক সেটা দেখে হিংসেয় নিজের গায়ে নিজেই কেরোসিন দেবার জোগাড়। যদিও তাকে বা তাদেরকে আমার বইয়ের পাশে আমি প্রত্যাশা করতেই পারতাম। কিন্তু পরিতাপের বিষয়, সবাই আগেই প্রতিদান খুঁজে। আমি ব্যক্তিগতজীবনে কিছু নীতি মেনে চলি। আর সবার জ্ঞাতার্থে বলি, আমি আমার মনের এই সায়টুকুর বাইরে যেতে পারি না। শুধু এটুকু বলতে চাই, যে আমার জন্য করে তার জন্য আমি নিজের ফোঁটা ফোঁটা ঘাম ঢেলে দেই। যদিও আমার যোগ্যতা সীমিত, কঙ্কাটিভির মত সাধ্যের মধ্যেই করতে চেষ্টা  করি। আমার উপলদ্ধি বলছে কিছু মানুষের আয়োজন, দৃষ্টিভঙ্গি, সবই আমাকে এড়িয়ে চলার মহতিপ্রয়াস মাত্র। করুক যার যা ভালো লাগে সেটা কথা নয়, কথা হচ্ছে প্রথম বই প্রকাশ করতে গিয়েই সবার শত্রু হয়ে যাচ্ছি। ব্যাপারটা কষ্ট দিচ্ছে আবার নিজের মনে লেখক লেখক ভাবও এনে দিচ্ছে।
আমি শৌখিন মানুষ, নিজের বই রাখার জন্য নিজস্ব একটি কর্ণার করেছি স্টলে। নিজের টাকা খরচ করেই করেছি। তবুও হয়তো আমাকে এ ব্যাপারে জবাবদিহি করতে হবে। হয়তো স্টলে গিয়েও কিছু লোক বলবে এই কর্ণারে সব বইই খুন এর কেন? আরেকটি কথা সবাই রকমারী, দূরবীনসহ নামকরা অনলাইন শপে বই দিতে খুব উদ্যোগী। আমার খুন কিন্তু বেশ ভালো চলছে তবুও আমি প্রকাশক ভাইকে একবারের জন্যও বলিনি আমার বই এসব শপে দিন। কেন বলিনি? কারণ আমি চেয়েছি আমার খুন এর মাধ্যমে অন্তত দুজন নতুন মুখ পরিবার পাবলিকেশনসকে চিনুক। আর শাওন ভাই তাকে প্রকাশক ভাবার আগে আমার নিউরনে ধাক্কা আসে যে সে আমার বড়ভাই। শোয়েব যেমন আমার ছোটভাই, শাওনদাও ঠিক তেমনি আমার বড়ভাই। আমার বিশ্বাস, আমার জন্য যা শুভ তাই করে চলেছেন প্রকাশক পদবীধারী এই ভেপুদা। কিছুলোক এর মধ্যেও মশলা খুঁজবে জানি। এসকল মানুষের উদ্দেশ্যে একটিই কথা খুঁজতে থাকেন, পারলে মশলা দিয়ে কালো ভুনা মাংসের দাওয়াত দিয়েন।
যাহোক, খুন এর জ্বালা-যন্ত্রণায় সবাই খুন হয়ে যাক। মনঃকষ্টের কালক্ষেপণ না করে আমি বরং খুন এর প্রচারটাই মন দিয়ে করতে থাকি। এই পৃথিবীর সবার কাছেই নিজ বলতেই অতি প্রিয় তা হোক প্রকাশ্যে অথবা মনে মনে। আমি আবার পেটে কথার চাষ করতে পারি না, খুব খারাপ লাগে এটা আমার।সবাইকে সাদর আমন্ত্রণ খুনময় পরিবারের স্টলে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
https://slotbet.online/