শুক্রবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৩, ১১:৫৭ অপরাহ্ন
Logo
শিরোনাম:
সালথায় ৬শ’ ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার মাটিরাংগা উপজেলায় তাইন্দং টু মাটিরাংগা রাস্তার বেহাল দশা, যান চলাচলে অযোগ্য মাটিরাংগা উপজেলায় তাইন্দং টু মাটিরাংগা রাস্তার বেহাল দশা, যান চলাচলে অযোগ্য মীরসরাইয়ে হেমন্ত সাহিত্য আসরে বাংলার ষড়ঋতুর জয়গান মীরসরাইয়ে হেমন্ত সাহিত্য আসরে বাংলার ষড়ঋতুর জয়গান মীরসরাইয়ে হেমন্ত সাহিত্য আসরে বাংলার ষড়ঋতুর জয়গান কুষ্টিয়ায় ধান খেত থেকে নবজাতকের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার কুষ্টিয়ায় ধান খেত থেকে নবজাতকের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার কুষ্টিয়ায় ধান খেত থেকে নবজাতকের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার তারুণ্য সমাজ কল্যাণ ফাউন্ডেশন এর বর্ষপূর্তি ও সেরা স্বেচ্ছাসেবক সম্মাননা ২০২২ সমপন্ন।

চুনারুঘাট এম.কে ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে এক ভূয়া ডাক্তার আটক

রিপোর্টার
  • পোস্ট করা হয়েছে মঙ্গলবার, ২৮ জুন, ২০২২
  • ৯৩ বার পড়া হয়েছে

রুবেল আহমদ রনী 

মাধবপুর প্রতিনিদি 

চুনারুঘাট পৌর এলাকার এম.কে ডায়াগনস্টিক এন্ড ক্লিনিকের ভূয়া ডাক্তার জাফরুল হাসান (২৫) কে আটক করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। আটক জাফরুল হাসান টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর উপজেলার আলমগনর মোঃ আতর আলীর ছেলে।
জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চুনারুঘাট এম.কে ডায়গনস্টিক এন্ড ক্লিনিকে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট রিফাত আনজুম পিয়া এবং সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডাঃ ওমর ফারুক অভিযান পরিচালনা করে ভূয়া ডাক্তারকে আটক করেন।
সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডাঃ ওমর ফারুক জানান, প্রতারক জাফরুল হাসান দীর্ঘদিন ধরে চুনারুঘাট এমকে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভূয়া সার্টিফিকেট ব্যবহার করে চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন জাফরুল হাসান। নওগাঁ জেলার ডাঃ মোহাম্মদ তামীমের বিএমডিসি কোড ব্যবহার করে ডাক্তার সেজে ভুয়া চিকিৎসা দিচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জাফরুল হাসানকে আটক করা হয়। এর আগে ভোলা জেলায় শায়েস্তাগঞ্জের সুতাং আলমদিনা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অন্য ডাক্তারের বিএমডিসি কোড ব্যবহার করে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছিলেন তিনি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক জাফরুল হাসান রোগীদের সঙ্গে প্রতারণা করার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। পরে তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দিয়ে বিকেলে চুনারুঘাট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। ভ্রাম্যমান আদালতকে সহযোগিতা করেন চুনারুঘাট থানার এএসআই মনির হোসেনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ।
এদিকে ভূয়া ডাক্তার জাফরুল হাসান আটকের পর বেড়িয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। প্রতারক জাফরুল হাসান এর আগে ভোলা জেলায় নওগাঁ জেলার ডাঃ মোহাম্মদ তামিম এর এমবিবিএস, সিএমইউ, ডিএমইউ (আল্ট্রা) পিজিটি (মেডিসিন) বিএমডিসি কোড ব্যবহার করে রোগীদের সাথে প্রতারণা করে আসছিল। শুধু তাই নয় তার প্রতারনা থেকে রেহাই পায়নি এক তরুণীও। ভোলায় তার চেম্বারে ডাক্তার দেখাতে এসে পরিচয় হয় ইশরাত জাহান নামের এক তরুণীর। সে ওই তরুণীর সাথে এমবিবিএস পরিচয় দিয়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে। একপর্যায়ে ওই তরুণীকে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করে প্রতারক জাফরুল হাসান। বিষয়টি ইসরাতের পরিবারে জানাজানি হলে বেড়িয়ে আসে তার গোপন তথ্য। তাদের প্রেমের বিষয়টি মেনে নেয়নি ইসরাতের পরিবারের লোকজন। পরবর্তীতে ভোলা থেকে পালিয়ে এক ঔষধ কোম্পানির প্রতিনিধির মাধ্যমে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে আলমদিনা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চেম্বার করেন। তার বিরুদ্ধে ভোলা থেকে একটি অভিযোগ আসে হবিগঞ্জ সিভিল সার্জন বরাবরে। অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নামেন সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডাঃ ওমর ফারুক। গত বৃহস্পতিবার প্রতারক জাফরুল হাসানের ভূয়া এবং জ্বাল সকল কাগজপত্র বিএমডিসিতে পাঠানো হয়। বিএমডিসি তার সকল কাগজপত্র যাচাইয়ে দেখা যায় ডাঃ মোহাম্মদ তামিমের। এরপর তাকে আটক করা হয়।
অভিযুক্ত জাফরুল হাসান জানায়, সে ২০০৯ সালে এসএসসি পাস করে ২০১১ সাল এইচএসসি পাস করে চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তি হয়। এর পর অর্থাভাবে লেখাপড়া করতে পারেনি।
এ বিষয়ে সিভিল সার্জন অফিসের একজন ডাক্তার বাদি হয়ে উক্ত ভুয়া চিকিৎসকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন। মামলার প্রেক্ষিতে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

পোস্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ

© All rights reserved © 2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Popular IT Club
Popularitclub_NewsPortal