• রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৪:১৭ পূর্বাহ্ন

ফরিদপুরে খাঁটি মধু সংগ্রহ কাজে ব্যাস্ত চাষি

পোস্ট করেছেন: / ৩৫৯ বার পড়া হয়েছে:
পোস্ট করা হয়েছে: বৃহস্পতিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

ফরিদপুরে খাঁটি মধু সংগ্রহ কাজে ব্যাস্ত চাষি

অপূর্ব দাস অসীম :দেশে খাঁটি মধুর চাহিদা পূরণ করা সহ ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি ও নিজেদের জীবন যাত্রার মানোন্নয়নের লক্ষ নিয়ে বিভিন্ন জেলায় ছুটে চলেছে মধূ আহোরণকারিরা। জ্ঞান-বিজ্ঞানের ক্রমোন্নতির এই বিশ্বায়নের যুগে প্রযুুক্তি নির্ভর মানুুষগুলো স্বল্প শ্রম ও স্বল্প পুঁজি সংবলিত কার্যক্রম গ্রহণের মধ্য দিয়ে নিজেরাই সৃস্টি করছে আত্ম কর্মসংস্থান।(সম্পূর্ন ভিডিও দেখতে নিচে ক্লিক করুন)

 

এমনই একজন মধূ আহোরণকারী আমজাদ হোসেনের দেখা মিললো ফরিদপুর শহরের একটু পাশে পাটপাশা গ্রামে। সূদুর সাতক্ষীরার শ্যামনগর থানার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়ন থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় খাটি মধূ আহোরণের জন্য ছুটে চলেছেন তিনি। বর্তমানে ফরিদপুরে ধনিয়া ও কালোজিরার উৎপাদন ভালো থাকায় পাটপাশা গ্রামে প্রায় ১২০ টি মধূ সংগ্রহকারী বস্ক নিয়ে মধূ সংগ্রহ কাজে ব্যাস্ত রয়েছেন।

 

ফরিদপুুর সমাচার এর সাথে আমজাদ এর কথা হলে তিনি জানান, বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্তি লাভের প্রত্যাশায় স্বল্প বিনিয়োগের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে মধূ সংগ্রহ করে আসছি। বর্তমানে ধনিয়া ও কালোজিরার উৎপাদন ভালো থাকায় ফরিদপুরের পাটপাশা গ্রামে মধূ সংগ্রহের জন্য অবস্থান করছি। সাধারনত বন জঙ্গলে মৌ মাছিদের দেখা মিললেও কিভাবে তিনি এই মৌমাছিদের বক্স এর ভিতরে রেখে মধূ সংগ্রহ করেন, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি ফরিদপুর সমাচারকে জানান, একটি বক্স এ অসংখ্য মৌমাছি থাকলেও একটি রানী মৌমাছির কারনে সব গুলোই ভিতরে থাকে।

 

তবে প্রথমে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা খরচ করে একটি বক্স তৈরির পর ৪ থেকে ৫ টি চাক নেওয়া যায়। যদি ফুল ভালো হয় তাহলে মাসে ৩ থেকে ৪ বার করে ১ টি বস্ক থেকে ৫ থেকে ৬ কেজি মধূ সংগ্রহ করা সম্ভব। তবে পাটপাশা গ্রামে ধনিয়া ও কালোজিরার মৌসুম ফুল একটু কম থাকায় তার এই ১২০ টি মধূ সংগ্রহকারী বস্ক থেকে ৪ থেকে ৫ মন মধূ সংগ্রহ করতে পারবেন। সাধারনত ১ মন মধূর দাম ৫ থেকে সাড়ে ৬ হাজার টাকা হলেও ধনিয়া থেকে সংগৃহিত ১ মন মধূর দাম ১০ হাজার টাকা এবং কালো জিরা থেকে সংগৃহিত ১ মন মধূর দাম ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা বাজার মুল্য হবে।

 

তার এই মধূ সংগ্রহের কারনে ফসলের কোন ক্ষতি হবেনা বরং মৌমাছির পরাগায়নে ফসল উৎপাাদন বৃদ্ধি পাবে বলে মৌচাষী আমজাদ দাবি করেন। তিনি আরো জানান, বিজ্ঞানের ক্রমন্নতির বিশ^ায়নের এই যুগে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির মাধ্যমে মৌ চাষ করে যেমন নিজের ভাগ্য পরিবর্তন করা সহ বেকারত্ব নিরসন করা সম্ভব, তেমনি দেশের অর্থনৈতিক চাকাকে আরো গতিশীল করতে বিশেষ অবদান রাখা যাবে বলে তিনি মনে করেন।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও সংবাদ
https://slotbet.online/